শুক্রবার সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তারা রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে হাফিজ উদ্দিনের সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।
শুক্রবার স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র দেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এরপর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির কার্যাবলি পালন করবেন।
পদত্যাগপত্রে সাহাবুদ্দিন হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনির জটিলতায় ভোগার কথা জানিয়েছেন। তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে এবং সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ‘অটোনোমিক নিউরোপ্যাথি’ শনাক্ত হয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
এসব অসুস্থতার কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হচ্ছে না এবং তার দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন বলে পদত্যাগপত্রে লিখেছেন সাহাবুদ্দিন।
সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, পদত্যাগের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সাহাবুদ্দিন। মেয়াদের পৌনে দুই বছর বাকি থাকতেই তিনি পদত্যাগ করলেন।
