মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে যশোর শহরের নীলগঞ্জ এলাকায় তার বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।
এমপি গোলাম রসুল তার মেয়েকে মানসিক রোগী দাবি করে বলেন, ভারতের হায়দরাবাদ ও দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে তার চিকিৎসা করানো হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির জন্য আমি মর্মাহত। এই ভুলের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা সবার সঙ্গে মিলেমিশে থাকতে চাই।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, গোলাম রসুলের বাড়ির সামনে আল মাদ্রাসাতুশ শারইয়াহ ও মসজিদ আছে। ওই মাদরাসায় যাতায়াতের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এমপির পরিবারের সঙ্গে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিরোধ চলছিল। এমপির মেয়ে অনন্যা সোমবার (২৭ জুলাই) মাদরাসার কয়েক শিক্ষার্থীকে ভয়–ভীতি দেখান। এ নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হলে পুলিশের মধ্যস্থতায় মীমাংসা হয়। পরে মঙ্গলবার সকালে গোলাম রসুল ও তার মেয়ে মাদরাসায় গিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় রেকসোনা নামে স্থানীয় এক নারীর মাথা ফাটিয়ে দেন অনন্যা। তিনি পরে নাসির উদ্দিন নামে এক অভিভাবকের ওপর চড়াও হন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী বিক্ষুব্ধ হয়ে তার বাসভবনে হামলা ও ভাংচুর করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সংসদ সদস্য ও তার মেয়ে বাসভবনের মূল ফটক বন্ধ করে নিজেদের অবরুদ্ধ করেন।



