সাদিয়া উপজেলার হাজিরবাগ ইউনিয়নের দেউলী গ্রামের ভ্যানচালক শহিদুল ইসলামের মেয়ে। হুমায়ুন একই এলাকার বাসিন্দা এবং সাদিয়াদের নিকট প্রতিবেশী।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
নিহতের মা সালমা খাতুনের লিখিত অভিযোগের পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে হুমায়ুন কবিরকে দেউলী গ্রামের বটতলা মোড় থেকে আটক করে পুলিশ। পরিবারের দাবি, হুমায়ুন এর আগে সাদিয়াকে উত্ত্যক্ত করতেন। তবে তার বিরুদ্ধে করা অভিযোগের বিষয়ে পুলিশি তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সাদিয়ার মা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।



