নিখোঁজ ফাতেমা আক্তার বর্ণা উপজেলার মশরহাটি গ্রামের হাবিবুর রহমানের মেয়ে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নদীতে গোসল করতে নেমেছিলেন। কিন্তু আর তাকে পাওয়া যাচ্ছেনা।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বর্ণার ছোট ভাই মেহেদী হাসান জানান, শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিট থেকে ২টার মধ্যে তারা একসঙ্গে ভৈরব নদে নামেন। একপর্যায়ে বর্ণা নদীতে ঝাঁপ দিলে হঠাৎ পানির নিচে তলিয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যেই তিনি দৃষ্টির আড়ালে চলে যান। ঘটনার পরপরই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা নদীতে ব্যাপক খোঁজাখুঁজি চালান। কিন্তু কোনো সন্ধান না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।
পরে খুলনা থেকে আসা বিশেষ ডুবুরি দল উদ্ধার কাজে যোগ দেয়। সন্ধ্যা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের যৌথ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিখোঁজ গৃহবধূর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং উদ্ধার কার্যক্রমে সমন্বয় করছে।
স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় শোক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, বর্ষা মৌসুমে নদীর পানির স্রোত ও গভীরতা বেড়ে যাওয়ায় এমন দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্টরা নদীতে গোসলের সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।


deshdristi24

