সদর উপজেলার কৈখালী গ্রামের মৃত কাজী নজরুল ইসলামের ছেলে ও বর্তমানে রূপদিয়া জামতলা এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলামের অভিযোগ, হাটবিলা সাঈদ সেন্টার ইটভাটার পাশে তার নিজস্ব রুটি ও বিস্কুট তৈরির কারখানা রয়েছে। গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে প্রিন্স মাহমুদ নামে ওই যুবকসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন তার বেকারি কারখানায় যান। তারা নিজেদের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেন।
এ সময় রফিকুল ইসলাম কারখানায় ছিলেন না। পরে কারখানার মিস্ত্রি শফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোন দিয়ে তাকে কল করে তারা বলেন, আপনার কারখানায় মাছি ও মশা পড়ে আছে। আমরা আপনার কারখানার কিছু ছবি তুলে রেখেছি। আমাদের কিছু টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আপনার কারখানার ছবি টিএনও স্যারের কাছে পাঠিয়ে দেব। এ কথা শোনার পর রফিকুল ইসলাম তাদের পরে আসতে বলেন। এরপর বিকেলে তারা আবার কারখানায় এসে তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। এ সময় তিনি তাদের কাছে সাংবাদিক পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তারা তা দেখাতে ব্যর্থ হন।
একপর্যায়ে তারা তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিতে থাকেন। তখন তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে প্রিন্স মাহমুদ নামে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেন। অন্যরা কৌশলে পালিয়ে যান। পরে আটক প্রিন্স মাহমুদকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।