শিশুটির বাবা জানান, সেদিন সকালে স্কুলে যাওয়ার পথে অভিযুক্ত কবিরাজ আব্দুল জলিলের নাতনিকে ডাকতে তার বাড়িতে যায় শিশুটি। সেই সুযোগে আব্দুল জলিল ওই নিরীহ শিশুটিকে জোরপূর্বক ঘরে নিয়ে যায় এবং তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনা গোপন করতে ধর্ষক শিশুটিকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়।
হুমকিতে ভীত হয়ে শিশুটি প্রথমে বাড়ি ফিরেও কাউকে কিছু জানায়নি। তবে ক্রমাগত শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকায় মা জিজ্ঞাসা করলে শিশুটি কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং পুরো বীভৎস কাহিনী খুলে বলে। এরপর পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে এবং গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে পরবর্তীতে নরেন্দ্রপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে যশোর কোতোয়ালি থানায় প্রেরণ করেন।
বর্তমানে এলাকাবাসী ও সচেতন মহল এই ধর্ষকের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি কবিরাজির পাশাপাশি খেজুরের মৌসুমে তাড়ি তৈরির ব্যবসার সাথে যুক্ত এবং দীর্ঘদিন ধরে নানা অপকর্মের সাথে জড়িত।
এলাকাবাসীর অভিযোগে উঠে এসেছে যে, রূপদিয়া খানপাড়া গ্রামের কিছু বয়স্ক ব্যক্তি নিয়মিতভাবে নানা অসামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা প্রায়ই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পথঘাটে মাতলামি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। এর ফলে রূপদিয়া খানপাড়ার সাধারণ ও সচেতন মহলের অভিভাবকরা গভীর উদ্বিগ্নতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এবং তারা এলাকায় সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
তারা অভিযুক্ত আব্দুল জলিলকে আটক করে যশোর সদর কোতোয়ালি থানায় সোপর্দ করে। বর্তমানে এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শিশুটিকে বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।



