গোপালগঞ্জে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ; গ্রেপ্তার-২

✍🏻: গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:
প্রকাশ: ৪ ঘন্টা আগে

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ফাঁকা বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে ঘুমিয়ে থাকা এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ সোহাগ কাজী ও তার অপর সহযোগী আকবরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গুরুতর আহত ওই নারী গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ওই নারীর স্বজনদের দাবি, চিকিৎসকরা তার গোপনাঙ্গে একাধিক সেলাই দিয়েছেন এবং হামলায় তার দুটি দাঁত ভেঙে গেছে। আর এমন ঘটনাটি ঘটেছে গত ৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত গভীর রাতে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী ইউনিয়নের মধ্যপাড়া খানকা মাদ্রাসা এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিরোধ ও মামলা চলমান থাকায় গ্রেপ্তার আতঙ্কে বাড়ির পুরুষ সদস্যরা বাইরে ছিলেন। ফলে সন্তানদের নিয়ে তিনি একাই বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে সোহাগ কাজী ও তার অপর সহযোগী আকবরসহ ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তাকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন।

এ সময় তার সন্তানদেরও দূরে ছুরে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার একপর্যায়ে প্রতিবেশীরা বিষয়টি টের পেয়ে ওই বাড়িতে ছুটে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

পরে ভুক্তভোগী ওই নারীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে প্রথমে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, বাড়ীতে পুরুষ মানুষ না থাকার সুযোগ ৩ থেকে ৪ জন ব্যক্তি ঘরে প্রবেশ করে তার হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার সন্তানদেরও দূরে ছুরে ফেলে দেওয়া বলেও অভিয়োগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় সোহাগ কাজী ও তার অপর সহযোগী আকবরকে চিনতে পারেন বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ূব আলী বলেন, ঘটনার পর সোহাগ কাজী ও তার অপর সহযোগী আকবরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।