কারা সূত্রে জানা গেছে, মহিলা হাজতি নং-৩৮০/২৬ বৃষ্টি খাতুন (১৯) উন্নত চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহ থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিলেন। পথে অ্যাম্বুলেন্সটি চুড়ামনকাটি এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ তার প্রসববেদনা শুরু হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
ঘটনার পর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষ মা ও নবজাতকের চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার ব্যবস্থা করে। নবজাতকের জন্য জামাকাপড়, মশারি, বিছানাপত্র, তোয়ালে, ন্যাপকিন, ডায়পার ও অলিভ অয়েলসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হয়।
এদিকে মা ও নবজাতককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয় এবং উপস্থিতদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করা হয়।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আবিদ আহমেদ বলেন,কারা মহাপরিদর্শকের নির্দেশনা অনুযায়ী মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মা ও নবজাতকের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশু দুজনই সুস্থ রয়েছে।



