বাঘারপাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে রাস্তা সংস্কারে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর উদ্যোগ

✍🏻: নিজস্ব প্রতিবেদক:
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে
বাঘারপাড়ায় মানুষের দুর্ভোগ কমাতে রাস্তা সংস্কারে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ

বর্ষা মৌসুম এলেই কাদা, পানি ও জলাবদ্ধতার কারণে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার বন্দবিলা ইউনিয়নের খাজুরা বাজারতলির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মথুরাপুর ও পান্তাপাড়া গ্রামের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। দীর্ঘদিন ধরে সড়কগুলোর বেহাল অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি শিক্ষার্থী, মুসল্লি ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।
স্থানীয়দের এই দুর্ভোগের কথা বিবেচনায় নিয়ে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বন্দবিলা ইউনিয়নে জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা মো. হাফিজুর রহমানের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক সংস্কারের কাজ করা হয়েছে। ইটের রাবিশ (ভাঙা ইট) দিয়ে সড়কের নিচু ও কাদাযুক্ত অংশ ভরাট করে সাময়িকভাবে চলাচলের উপযোগী করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাইপপট্টি থেকে ফারুক কাজীর বাড়ি হয়ে খাজুরা মাদরাসা পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ বর্ষায় কাদা ও পানিতে তলিয়ে যায়। একইভাবে পান্তাপাড়া গ্রামের খোকনের বাড়ির সামনের সড়কের একটি অংশও দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় ছিল। এসব সড়ক দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় মানুষ, শিক্ষার্থী ও মাদরাসাগামী লোকজন চলাচল করেন। বর্ষার সময়ে সড়কগুলোতে পানি ও কাদা জমে যাওয়ায় হেঁটে চলাচল করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
এ অবস্থায় স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে মাওলানা মো. হাফিজুর রহমানের উদ্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোতে ইটের রাবিশ ফেলা হয়। এতে সড়কের কাদা ও নিচু অংশ কিছুটা উঁচু হওয়ায় সাধারণ মানুষের চলাচলে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে সড়কগুলোর অবস্থা সবচেয়ে খারাপ হয়ে যায়। বিশেষ করে মাদরাসা ও মসজিদে যাতায়াতকারী মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। দীর্ঘদিন ধরে সমস্যাটি থাকলেও স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে একই ভোগান্তির সৃষ্টি হয়। উদ্যোগ নিয়ে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “এলাকার মানুষের প্রয়োজন ও জনদুর্ভোগকে গুরুত্ব দিয়েই ব্যাক্তিগত ভাবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে মানুষের চলাচলের সমস্যা কিছুটা হলেও কমাতে পেরে ভালো লাগছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও জনকল্যাণ ও মানবিক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করব।” অন্যদিকে
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সাময়িকভাবে ইটের রাবিশ দিয়ে সংস্কারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে সড়কগুলোর স্থায়ী সংস্কার করা হোক । এতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা ও কাদার কারণে সৃষ্ট দুর্ভোগ থেকে এলাকাবাসী দীর্ঘমেয়াদে মুক্তি পাবেন।